দৌলতপুরে ছাত্রী ধর্ষণের মামলায় দুই দিনের রিমান্ডে শিক্ষক

মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে ষষ্ট শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় শরিফুল ইসলাম সেন্টু (৩৬) নামে এক শিক্ষককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সে দৌলতপুর প্রমোদা সুন্দরী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও স্থানীয় মৃত মাঈনুদ্দিন খোশ নবিশের ছেলে।

ওই ছাত্রী বাবার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে ওই শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

মামলার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী ষষ্ট শ্রেণিতে পড়ে। তার বাবা একজন সিএনজি চালক। বাদীর মা প্রায়ই শিক্ষক শরিফুল ইসলাম সেন্টুর বাড়িতে বিভিন্ন কাজকর্মের সহযোগিতা করেন। গত জানুয়ারি মাসে প্রথমে শিক্ষক সেন্টু তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। এরপর একাধিকবার শিক্ষক সেন্টু নিজ স্কুলের ওই শিক্ষার্থীকে নানাভাবে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ওই ছাত্রী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালেও লোক-লজ্জার ভয়ে এ বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি তারা।

মঙ্গলবার দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গণে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলার সময় শ্বাসকষ্টে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই ছাত্রী। তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরবর্তীতে মুন্নু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ছাত্রী শিক্ষক শরিফুল ইসলাম সেন্টুর দ্বারা ধর্ষণের কথা কয়েকজন নার্স ও চিকিৎসকদের কাছে জানান। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে ঘটনা প্রকাশ পায়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুনীল কর্মকার জানান, হাসপাতালে ওই ছাত্রীর সঙ্গে তার কথা হয়েছে। সে শিক্ষকের যৌন নিপীড়নের কথা বলার সময় অনেক কাঁদছিল। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে রাতেই শিক্ষক সেন্টুকে গ্রেফতার করা হয়।