কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক কর্মজীবী তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে ইউপি সদস্যসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণের অভিযোগে আটক ব্যক্তি হলো মনু মিয়া, ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে আটকরা হলো কালারমারছড়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার লিয়াকত আলী,একই ইউনিয়নের সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার খতিজা বেগম।
মহেশখালী থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, তরুণী ধর্ষণের ঘটনার মামলায় দুইজন ইউপি সদস্যসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে আটকদের আদালতে সোপর্দ করে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, ৭ জুলাই রাতে ওই তরুণী চট্টগ্রামের কর্মস্থল থেকে চকরিয়া হয়ে নানার বাড়ি মহেশখালীর মাতারবাড়ি আসার পথে তাকে পাহাড়ে তুলে ধর্ষণ করে নলবিলার আমির সালাম, এনিয়া, সিএনজি চালক আদালত খাঁ ও ওসমান গণিসহ ১৪ জন। কিন্তু এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে মাতারবাড়ির সড়কের সিএনজি লাইনম্যান রশিদ ও স্থানীয় মেম্বার লিয়াকত আলীসহ একটি চক্র। কিন্তু পরবর্তীতে ওই তরুণীর প্রচেষ্টায় ঘটনাটি আর গোপন রাখতে পারেনি তারা।
ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, রাতভর ধর্ষণের পর তাকে অচেতন অবস্থায় পাহাড়ে ফেলে যায় তারা। পরের দিন ভোর ৪টার সময় জ্ঞান ফিরলে সেখান থেকে চালিয়াতলীস্থ মাতারবাড়ী রাস্তার মাথায় যাই। এরপর মাতারবাড়ী রাস্তার মাথায় এসে একটি সিএনজিতে করে স্থানীয় মহিলা ইউপি মেম্বার শামিমা আকতারের বাড়িতে যাই।
শামিমা আকতার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।