ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার হাওরা নদীর বাঁধ ভেঙে তিনটি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ইতোমধ্যে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় সীমান্তবর্তী গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
রবিবার (১৪ জুলাই) এলাকাবাসী জানায়, গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ আর ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার হাওরা নদীর বাঁধ ভেঙে দুপুর থেকে তুলাবাড়ী, আদমপুর এলাকায় পানি প্রবেশ করতে থাকে। এতে উপজেলার মোগড়া, মনিয়ন্দ এবং দক্ষিণ ইউনিয়নের অন্তত ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। ইতোমধ্যে বানের পানিতে অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
তুলাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ফজর মিয়া জানান, হঠাৎ করে পানি গ্রামে ঢুকতে শুরু করায় গ্রামের মানুষ চিৎকার শুরু করে। কিছু করার ছিল না। পুকুরের মাছসহ ঘড়বাড়ি ভাসাইয়া নিয়া গেছে।
পাশের কুসুমবাড়ী গ্রামের আসমত আলী বলেন, নদী ভাঙনের আতঙ্কে আছে গ্রামের সব মানুষ। ইতোমধ্যে গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। ভাঙন রোধে কেউ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
তুলাই শিমুল গ্রামের কবির মিয়া জানান, নদীর বিভিন্ন অংশে বাঁধের ওপর ছুই-ছুই পানি। কখন কোথায় নতুন করে ভাঙন শুরু হয় বলা মুশকিল।
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার রেইনা জানান, খবর পেয়ে তিনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূইয়াকে সঙ্গে নিয়ে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করার জন্যেও প্রস্তুতির কথা জানান তিনি।