এ খবর পাওয়ার পর মতলবের রসুলপুরে জিয়াউর রহমানের গ্রামের বাড়িতে এখন চলছে স্বজনদের শোকের মাতম।
পারিবারিক সূত্রে জানায়, ১২ বছর ধরে জিয়াউর রহমান দক্ষিণ আফ্রিকায় মুদিসহ ভ্যারাইটিজ ব্যবসা করে আসছেন। ঘটনার দিন রাত ১০টায়ও তার স্ত্রী তানজিনার সঙ্গে মোবাইলে কথা হয় জিয়াউর রহমানের। তার একটি ১৮ মাস বয়সী মেয়ে সন্তান রয়েছে।
তানজিনা আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামীর কোনও শত্রু নেই। তিনি পার্টনারশিপে ওই দেশে ব্যবসা করতেন। সন্ত্রাসীরা কোনও কিছু না বলে দোকানে এসে তাকে গুলি করে। আমার স্বামীর লাশ বাংলাদেশে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। আমি আমার স্বামীর মুখ শেষবারের মতো দেখতে চাই।’