এদিকে ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গয়াবাড়ি ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ও শৌলমারী, কৈমারী ও ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের তিস্তা নদীবেষ্টিত ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ময়নুল হক বলেন, ‘তিস্তার পানি বাড়ায় ভোগান্তি কমছে না তিস্তা পারের মানুষের। প্রথম দফার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির পর আবারও বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বন্যাকবলিত মানুষ।’
পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ খান বলেন, ‘মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর থেকে নদীর পানি ফের বাড়তে শুরু করেছে। বন্যার পানি ওঠানামার কারণে ইউনিয়নের ঝাড়শিংহেশ্বর, পূর্বছাতনাই গ্রামের দুই হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নতুন করে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় তিস্তার চরে এখন হাঁটুপানি।’