আহত ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের অভিযোগ, বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। সুমাইয়া শ্রীপুরের গোসিংগা ইউনিয়নের পাঁচুলটিয়া গ্রামের আনসার সদস্য সেলিমের মেয়ে ও পটকা সিনিয়র মাদ্রাসার ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
সুমাইয়ার মা রোখসানা বেগম ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এক বছর ধরে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক রফিকুল ইসলামের ছেলে রেদোয়ান তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। এ নিয়ে এলাকায় একাধিক সালিশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তার মেয়ের ওপর কে বা কারা হামলা চালিয়ে তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তার মেয়েকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তার মেয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাসনিয়া জানান, আহত শিক্ষার্থীর গলায় কাটা দাগ রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক রাহাত আকন্দ বলেন, ‘ঘটনাটি প্রেমঘটিত ব্যাপার। আহত শিক্ষার্থীর মা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।’
অভিযুক্ত রেদোয়ানের বাবা ও পটকা সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তার ছেলের সঙ্গে জান্নাতের কোনও সম্পর্ক নেই।’ ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের ওপর দোষ চাপানোর একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি প্রাতিষ্ঠানিক চক্রান্তের শিকার হচ্ছি।’