'ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের বক্তব্য রেকর্ড করা হবে'

ঝিনাইদহে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকমুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, “মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশের প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার নিজ কণ্ঠ থেকে ১০ থেকে ২০ মিনিটের একটি বক্তব্য রেকর্ড করা হবে। সেটির নাম হবে ‘বীরের কণ্ঠে বীরগাঁথা’। মুক্তিযোদ্ধাদের বক্তব্য কেয়ামতের আগ পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে।’

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহ সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে ‘১৯৭১ ঝিনাইদহে মুক্তিযুদ্ধ’ ও ‘ঝিনেদার কথা’ নামে দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইতিহাস হারিয়ে গেলে জাতি নির্লিপ্ত হয়ে যাবে। ১৯৭৫ সালের পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের কথা অনেকে ভুলে গেছে। পাঠ্যপুস্তকে মুক্তিযোদ্ধাদের কথা যেমন লেখা থাকবে তেমনি বিরোধীদের কথাও লেখা থাকতে হবে। তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম বিচার করতে পারবে কে ভালো কাজ করেছে আর কে মন্দ কাজ করেছে। সেটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই। এছাড়া অনুষ্ঠানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য খালেদা খানম,  পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামানসহ মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।