জেলে মোবারক হোসেন জানান, ৬৫ দিন অবরোধের পর আবার মাছ ধরতে পেরে আমরা খুশি। প্রচুর ইলিশ ধরা পরতে শুরু করেছে। এখন জেলেরা তাদের পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারবে। অবরোধের কারণে পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে সময় কাটিয়েছেন জেলেরা।
মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি ফজলু গাজী জানান, সাগরে জেলেদের জালে বিভিন্ন সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে। দীর্ঘদিন অবরোধের পর মাছ পাওয়ায় খুশি জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা। আমার আড়তে গত দুই দিনে ২০০ থেকে ২৫০ মণ ইলিশ এসেছে। ইলিশ পাওয়ায় কুয়াকাটা, আলীপুর ও মহিপুরের আড়তগুলোতে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
কক্সবাজার ফিশিং এন্টারপ্রাইজের মালিক মনিরুল ইসলাম বলেন, সাগরে সাধারণত সাদা জাল, লম্বা জাল ও লাল জাল দিয়ে মাছ ধরা হয়। তবে লম্বা জাল বড় হওয়ায় ওই জালে ইলিশ বেশি পাওয়া যায়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল্লাহ জানান, অবরোধ শেষে জেলেরা আবার সাগরে মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, মূলত দুটি কারণে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। প্রজনন সুবিধায় যাতে মাছ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে। আর অপরটি হলো- ছোট মাছকে বড় হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। এবার আমাদের অবরোধ ফলপ্রসূ হয়েছে। আগামীতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।