তিনি জানান, জেলায় এ পর্যন্ত মোট ৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি চলে গেছে। এ ছাড়াও দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হাওয়ায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ডেঙ্গু রোগীদের বিশেষ ব্যবস্থা প্রসঙ্গে নূরুন নাহার বেগম বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগীদের জন্য গত সোমবার হাসপাতালের পেয়িং ওয়ার্ডকে ডেঙ্গু ওয়ার্ড ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে নারী-পুরুষ পৃথক করে দুটি ওয়ার্ডে ৩৪টি বেড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও মশারিসহ সবকিছু বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। তারা ওয়ার্ডটি তদারকি করছেন। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আশপাশের অন্য জেলা থেকেও ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন। আমরা তাদের জন্য সবরকম ব্যবস্থা রেখেছি। যদি রোগী বেড়ে যায় সে কারণে হাসপাতালের পাশের একটি স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা কথা বলে রেখেছি। যাতে সেখানেও ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া যায়। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রোগীর সংখ্যাও গতকালের চেয়ে আজ কম।’
প্রসঙ্গত, গত ৭ জুলাই কুষ্টিয়ায় ইসমাইল হোসেন (২১) নামে প্রথম ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়। তিনি সদর উপজেলার বালিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এরপর এ পর্যন্ত মোট ৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।