এ বিষয়ে নরেশ মুখার্জী বলেন, ‘জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের উদ্যোগে মাসব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ব্যাজ লাগানোর কথা ছিল। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম মন্টুর উদ্বোধনের কথা থাকলেও তিনি কর্মসূচিতে যাননি। বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর নেতাকর্মীরা ব্যাজ ধারণ করেন। এ ব্যাজ পরার কারণে রেজাউল করিম মন্টু কিছু জুনিয়র আইনজীবী বহিরাগতদের নিয়ে গওহর আলী ভবনের সামনে তাদের ওপর হামলা চালান।’
অপরদিকে রেজাউল করিম মন্টু বলেন, ‘তার উপস্থিতিতে ব্যাজ ধারণের কথা থাকলেও নরেশ মুখার্জি ও তার পক্ষের লোকজন আগেই ব্যাজ ধারণ করেন। অ্যাডভোকেট প্রিন্স ও শাহরিয়ার ফাহিম এ ব্যাপারে নরেশ মুখার্জীকে বলেন, মন্টু ভাইকে ছাড়া আপনারা ব্যাজ ধারণ করলেন কেন? তখন নরেশ জানান, অ্যাডভোকেট লুৎফে আল গালিব জাহিদ তাদের ব্যাজ লাগিয়ে দিয়েছেন। পরে জাহিদ জানান, তিনি কাউকে ব্যাজ পরে দেননি। এ সময় গালিব ফোনে নরেশের কাছে কৈফিয়ত চাইলে তিনি (নরেশ) ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে (মন্টু) অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তখন তিনিও (মন্টু) নরেশকে গালিগালাজ করেছেন। কিছুক্ষণের মধ্যে নরেশ ও তার পক্ষের লোকজন আমার চেম্বারের দরজা ভেঙে ফেলেন।’
বগুড়া সদর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান জানান, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধের সময় ফোর্স পাঠানো হয়েছিল। বিকাল পর্যন্ত কোনও পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।
হামলার ঘটনায় আহতরা হলেন, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও স্পেশাল পিপি নরেশ মুখার্জি, যুগ্ম সম্পাদক ও দ্বিতীয় নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আশেকুর রহমান সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত পিপি আনোয়ার হোসেন পায়েল, দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি কাজী রবিউল আলম মিঠু এবং ভারপ্রাপ্ত পিপি নুরুস সালাম সাগর, বেনজীর ও রুমু।