নাদিরা আক্তার কালকিনি উপজেলার উত্তর কৃষ্ণনগর গ্রামের শওকত আলীর স্ত্রী।
স্বজনরা জানান, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ৩০ জুলাই কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন নাদিরা। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২ আগস্ট বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কোনও জায়গা না পেয়ে নাদিরাকে সন্ধ্যায় তার স্বজনরা আবারও কালকিনি হাসপাতালে ফেরত নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে চিকিৎসরা তাকে রাতে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। স্বজনরা রোগীর অবস্থা খারাপ হলে জেলার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকার রুবেল হোসেনের মেয়ে শারমিন আক্তার (২২) ও বুধবার রাতে ঢাকার ইসলামিয়া ব্যাংক হাসপাতালে মারা যান শিবচরের মাদবরেবচরে বাবু খানের ছেলে ফারুক খান (২২)। তারা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ছিলেন।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. ইমরানুর রহমান সনেট বলেন, ‘জেলায় প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তবে এই জ্বর দেখা দিলে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া যাদের অবস্থা গুরুতর তাদের প্রত্যেক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের তরলজাত খাবারের পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।’