জিএম কাদের বলেন, ‘বন্যাদুর্গত এলাকায় জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সেগুলো আমরা দেখার জন্য এসেছি। বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় স্থায়ী বন্দোবস্ত করা উচিত। যারা সব সময় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেসব এলাকা সার্ভে করে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করতে হবে। যখনই যে এলাকায় বন্যা হবে, সেই এলাকাকে বন্যাদুর্গত এলাকা ঘোষণা করে সেই তালিকা অনুযায়ী ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে।’
জাতীয় পার্টিতে কোনও দ্বন্দ্ব আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জিএম কাদের বলেন, ‘জাতীয় পার্টিতে প্রতিযোগিতা থাকতে পারে, কোনও দ্বন্দ্ব নেই।’
ত্রাণ বিতরণে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান আদেল এমপি, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মেজর (অব.) আশরাফুদ্দৌলা তাজ, যুগ্ম দফতর সম্পাদক এমএ রাজ্জাক খান ও জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক প্রমুখ।