শনিবার (৩ আগস্ট) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আয়ুব হোসেন।
তিনি জানান, অভাব যে মানুষকে নষ্ট করতে পারে না চটপটি বিক্রেতা বেলাল তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বেলাল ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা গ্রামের নুরুল হক মোল্ল্যার ছেলে। আর টাকা হারানো ক্ষুদ্র কাঠ ব্যবসায়ী আবদুর রশিদের বাড়িও একই উপজেলার পারখালকোলা গ্রামে।
এ ব্যাপারে বেলাল হোসেন বলেন, ‘আমি একজন অভাবী মানুষ। বাবা মায়ের অভাবের সংসারে ছোট থেকে বড় হয়েছি। সব সময় সৎ উপায়ে কর্ম করে সংসার চালাই। কখনও কারও অর্থের প্রতি লোভ করিনি। প্রকৃত মালিকের হাতে টাকাটা ফেরত দিতে পেরে আমি খুশি।’
এদিকে হারানো টাকা ফিরে পেয়ে আবদুর রশিদ বলেন, ‘আমি নিজেও গরিব মানুষ। ধারদেনা করে কাঠের ব্যবসা করি। হারানো টাকাটা ফেরত পেয়ে মানুষ সম্পর্কে আমার ধারণা পাল্টে গেছে।’