বাঘটির ময়নাতদন্তকারী দলের প্রধান ডা. আলাউদ্দিন মাসুদ জানান, ময়নাতদন্তের পর প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বার্ধক্যজনিত কারণে এই বাঘটির স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তবে কেমিক্যাল টেস্টের জন্য বাঘটির লিভার, কিডনি, পাকস্থলির অংশ ও মাংসের টিস্যু ঢাকার ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ওই রিপোর্ট পাওয়ার পর বাঘটি কী কারণে মারা গেছে তা জানা যাবে।
ডিএফও মো. মাহমুদুল হাসান জানান, মঙ্গলবার দুপুরে কটকা বন অফিসের বনরক্ষীরা টহল দেওয়ার সময় ছাপড়াখালী অভ্য়ারণ্য থেকে মৃত প্রাণীর গন্ধ পান। এ সময় তারা তল্লাশি চালিয়ে একটি মৃত বাঘকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বাঘটির মৃতদেহ উদ্ধার করে শরণখোলা রেঞ্জে অফিসে নিয়ে আসা হয়। ময়নাতদন্তের পর মৃত বাঘিনীর চামড়াটি সংবক্ষণ করে মৃতদেহটি শরণখোলা রেঞ্জ অফিসে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। পূর্ণবয়স্ক এই স্ত্রী-বাঘটি ৭ ফুট ৭ ইঞ্চি লম্বা।
ময়না তদন্তের সময় সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ও খুলনার ওয়াইল্ড লাইফ ম্যানেজমেন্টের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মদিনুল আহসান উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সুন্দরবন থেকে বাঘের মৃতদেহ উদ্ধার