তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, পাহারাদার খুন হলেও পুকুর থেকে মাছ চুরি হয়নি। তাই পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রইস উদ্দিনকে হত্যা করা হয়েছে বলে তারা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। এ নিয়ে তারা তদন্ত শুরু করেছেন।
ওসি জানান, ‘তরিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির ইজারা নেওয়া একটি পুকুর পাহারা দিতেন রইস উদ্দিন। সকালে স্থানীয়রা পুকুর পাড়ে রইসের হাত-পা বাঁধা লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন। মাছ ধরার জাল এবং জালের রশি দিয়ে রইসের হাত ও পাসহ শরীরের আট থেকে ৯টি স্থান বাঁধা ছিল। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে কেউ আটক নেই। তারা জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হবে।