৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের ত্রিপুরায় অবস্থানের বিষয়ে নিজের স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরায় মোট চারটি সেক্টর ছিল। আমি ত্রিপুরার পদ্মা ক্যাম্পের ডেপুটি চিফ ছিলাম। সেই স্মৃতি কখনও ভুলবো না।’
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের ব্যাপারে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। স্মৃতিগুলো সংরক্ষণ করা হলে ভবিষৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারবে। সেটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দুই দেশ কাজ করছে।’
এর আগে মন্ত্রীকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে স্বাগত জানান আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আক্তার রেইনা, সহকারী পুলিশ সুপার (কসবা সার্কেল) আব্দুল করিমসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।