এ সময় টুকু তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) উদ্দেশে বলেন, ‘সিইসি তো বলেই দিয়েছেন নির্বাচনের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ নেই। তিনি ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে না পেরে এখন বলছেন জনগণের মাঝে আস্থার সংকট রয়েছে। জনগণকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। নির্বাচন কমিশন একটা ব্যর্থ, অযোগ্য প্রতিষ্ঠান। তার পরেও সব জেনেই আমরা নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত থাকতে চাই। দেশের মানুষের অধিকার ফিরে আসুক আমরা সেটাই চাই।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘আমাদের সদর আসনের উপনির্বাচনে ঠিকমতো প্রচারণা করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। মাইক কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। নেতাকর্মীদের সাদা পোশাকধারীরা নানান হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। ফলে নির্বাচনের পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। তার পরেও আমরা নির্বাচনে আছি এবং থাকবো।’
তিনি বলেন, ‘দেশের ১৬ কোটি মানুষের ভরসাস্থল এটাই বিএনপি। এখনও দেশের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপি এত অত্যাচার, নির্যাতন, গুম, খুনের পরেও এখনও টিকে আছে এবং থাকবে। জনগণের আস্থা আছে বলেই বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় দল।’
২০ দলীয় জোটের সবাই বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছে জানিয়ে টুকু বলেন, ‘রংপুর-৩ আসনে আমরা ২০ দলীয় জোট হিসেবে নির্বাচন করছি না সে কারণে আমাদের প্রার্থীকে “বিএনপির প্রার্থী” বলছি। তবে ২০ দলের নেতা কর্মীরাও আমাদের সঙ্গে কাজ করছেন।’ তারা আলাদাভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ সময় তার সঙ্গে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, বিএনপি নেতা ইসরাত হোসেন, রংপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম মিজুসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।