ইয়াবা পাচারকারী তাজুলের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার ভারগাঁও দরগাহবাড়ী এলাকায়। মাদক ব্যবসা তার পেশা। সে দীর্ঘদিন ধরে অভিনব কায়দায় ইয়াবার পোটলা গিলে পেটে করে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে বাসযোগে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসতো।
জসিম উদ্দিন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে আমাদের কাছে খবর আসে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়ে অবস্থান নেয়। বাস থেকে নামার পর তাজুলকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইয়াবা পাচারের কথা স্বীকার করে সে। পরে শিমরাইল সাজেদা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে এক্সরে করে পেটের ভেতরে ছোট ছোট গোলাকৃতি বস্তু দেখা যায়। পরে সে স্বীকার করে তার পেটের ভেতরে কালো স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ১০০টি পোটলা রয়েছে। প্রতিটি পোটলায় ৩০টি করে মোট তিন হাজার ইয়াবা রয়েছে। পরে সে হাসপাতালের টয়লেটে গিয়ে পায়ুপথ দিয়ে কালো টেপ মোড়ানো ১০০টি পোটলা বের করে দেয়।
তিনি আরও জানান, তাজুল ইয়াবা পাচারের অভিনব পন্থার কথা স্বীকার করে। সে বলে, কক্সবাজারে ইয়াবার পোটলাগুলো সে খাবারের সঙ্গে গিলে খায় এবং ঢাকায় এসে মলত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে বের করে।
এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।