নদীগর্ভে বিলীন দৌলতদিয়ার ৩ ফেরিঘাট

নদীগর্ভে দৌলতদিয়ার ফেরিঘাটপাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্তের ছয়টি ঘাটের মধ্যে তিনটিই স্রোতের টানে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ কারণে ফেরি লোড-আনলোড মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। এজন্য ফেরিতে লোড-আনলোডের জন্য পন্টুন সংকট দেখা দিয়েছে। কমে গেছে ফেরির ট্রিপ সংখ্যা। উভয় ঘাটে আটকা পড়েছে ছয় শতাধিক গাড়ি।শনিবার (২৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মকবুল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।  

দৌলতদিয়া ঘাটে এখন যাত্রীবাহী গাড়িগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার করা হচ্ছে। এজন্য আটকে পড়ে যাচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাকগুলো।

ঘাটে আটকে পড়া যানবাহন মকবুল হোসেন জানান, দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ব্যাপক নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় ভাঙন রোধে নদীর পাড়ে ফেলা জিও ব্যাগসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এখন এই ঘাটের পাশেই নতুন আরেকটি ঘাট তৈরি কাজ চলছে। এর আগে ২ অক্টোবর থেকে ১ ও ২ নম্বর ফেরিঘাট এবং আশপাশের এলাকা নদীগর্ভে যাওয়ার পর থেকেই ওই ঘাট দুটি বন্ধ রয়েছে। ফলে দৌলতদিয়ার ছয়টি ঘাটের মধ্যে তিনটি ঘাট দিয়ে এখন সীমিতভাবে ফেরি লোড-আনলোড করা হচ্ছে। এভাবে নদীভাঙন অব্যাহত থাকলে দৌলতদিয়ায় ঘাট রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) মো. জিল্লুর রহমান জানান, দৌলতদিয়ার তিনটি ঘাট বন্ধ থাকায় ফেরি লোড-আনলোডের জন্য পন্টুন সংকট দেখা দিয়েছে। এজন্য ১৬টি ফেরির মধ্যে পাঁচটি ফেরি নোঙর করে রাখা হয়েছে।

ঘাট সংকট কেটে গেলে বিদ্যমান সমস্যা থাকবে না বলে জানালেন এই কর্মকর্তা।