অন্য আসামিরা হলেন, সান্তাহার কলসা রথবাড়ির মৃত আহাদ আলীর ছেলে মো. মিল্টন (৪০), তার স্ত্রী কাজল বেগম ও ছেলে মো. আকাশ (১৮)।
বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামি কাজল বেগম তার আত্মীয়। কাজল ও তার স্বামী মিল্টন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় সান্তাহার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাহিদুল বারী তাদের বাড়িতে অবাধ যাতায়াত করতেন। এই সুযোগে বাদীর ওপর জাহিদুলের চোখ পড়ে। এদিকে ভিকটিমের স্বামীর সঙ্গে জায়গা নিয়ে মিল্টন ও তার ছেলে আকাশের মনোমালিন্য হয়। তখন জাহিদুল বারী দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ভিকটিমের স্বামীকে জেলে পাঠায়। তিনি জেলে থাকা অবস্থায় জাহিদুল ভিকটিমকে কুপ্রস্তাব দেয়। জেল থেকে বের হয়ে বিষয়টি জানতে পেরে ভিকটিমের স্বামী জাহিদুলকে সতর্ক করেন। এতে জাহিদুল ক্ষিপ্ত হয় এবং গত ১৮ অক্টোবর সকালে কেউ না থাকার সুযোগে বাড়িতে ঢুকে ভিকটিমকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। বাদীর স্বামী বাড়িতে এসে জানতে পেরে প্রতিবাদ করলে আসামিরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে।
বাদীকে মামলায় সহযোগিতা করেছেন বগুড়া অ্যাডভোকেটস বার সমিতির সদস্য জেসমিন আকতার বীথি।
মামলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সান্তাহার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য এস এম জাহিদুল বারী ও অন্য আসামিরা দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করা হয়েছে।