মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌ-চ্যানেলে ভাঙন

11

মোংলা-ঘষিয়াখালী আর্ন্তজাতিক নৌ-চ্যানেলের বেশ কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। একারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার রাস্তাঘাট, বসতবাড়ি, দোকানপাট ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে।

স্থানীয়রা জানান, মৃতপ্রায় মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌ-চ্যানেল খনন করার পর রামপালের পেড়িখালী খেয়াঘাট এবং রামপাল থেকে বগুড়া খেয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা ভাঙনের কবলে পড়েছে। কয়েকদিন আগে রামপাল পেড়িখালী খেয়াঘাটের দুই পাড়ের কিছু অংশ ভেঙে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রামপাল উপজেলা পরিষদ ও সরকারি ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে বগুড়া খেয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার নতুন ইটের সোলিং রাস্তা। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাড়ি, ফসলি জমি ও দোকানপাট নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কুমার পাল জানান, মোংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের বিভিন্ন পয়েন্টে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। আমরা বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করে চিঠি দিয়েছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জিও ব্যাগ ও ব্লক ফেলে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে বাগেরহাট পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাহিদ-উজ-জামান জানান, রামপালের ভাঙন কবলিত স্থানগুলি ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সচিব কবির-বিন আনোয়ারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন। ভাঙ্গন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।