স্থানীয়রা জানান, রানীনগর স্টেশন আউটারে চকের ব্রিজের আগে বড়বড়িয়া-গোনা এলাকায় রেললাইনের নিচের অংশ প্রায় দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। রেললাইন পার হওয়ার সময় বিষয়টি কয়েকজন বালকের নজরে পড়ে। যেকোনও সময় লাইনটি ভেঙে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করে। তারা ভাঙা রেললাইনের পাশে অপেক্ষা করতে থাকে। কিছুক্ষণ পর দেখে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একতা এক্সপ্রেস রানীনগরের দিকে যাচ্ছে। তাৎক্ষণিক তারা আগুন জ্বালিয়ে লাল গেঞ্জি ও গামছা উঁচিয়ে ট্রেন থামার সংকেত দেয়। এ সময় রেললাইনের ভাঙা অংশের ঠিক আগে ট্রেনটি থামিয়ে দেন চালক। এতে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায় হাজারো যাত্রী। এরপর ট্রেনচালক বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান।
আত্রাইয়ের আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বালকদের কল্যাণে একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি থামনোর পর রানীনগরে আটকা পড়েছিল ঢাকাগামী আন্তঃনগর পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেসও। রেললাইনের ভাঙা ওই অংশ সরিয়ে আরেকটি পাত বসালে দেড় ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।’