প্রতিনিধি দলটি প্রথমে বেসরকারি সংস্থা ইপশার কার্যালয়ে যায়। সেখানে মানবপাচারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে। মানবপাচার শিকার লোকজনের সঙ্গে আলাপ করেন তারা। এরপর প্রতিনিধি দলটি রামু উপজেলার রাজারকুল এলাকায় যায়। ওখানে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে আলাপ করে তারা।
বনি গ্লিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞ যে তারা মিয়ানমার থেকে নির্যাতিত হয়ে পালিয়ে আসা এক মিলিয়নের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখা।’
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের প্রতি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে ব্যবস্থা নিয়েছে, যদিও সেটি যথেষ্ট নয়। পাশাপাশি স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে ধারাবাহিক চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয়দের ক্ষতি কমিয়ে আনতেও আমরা কাজ করছি।’
রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি এমন একটি মানবিক ইস্যু যাতে মার্কিন প্রশাসনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মানুষও বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। এছাড়া ভাষানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের প্রক্রিয়ার বিষয়গুলোও আমরা যথাযথ মূল্যায়ন করছি।’