ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকার ক্ষমতা দখল করার পর অনভিজ্ঞ ও অদক্ষ লোকদের দায়িত্ব দিয়েছে। একটি অস্থিতিশীল দেশ পরিচালনার জন্য যে কৌশল, প্রজ্ঞা থাকা দরকার, তা মন্ত্রীদের নেই। কিছু কিছু মন্ত্রী ভেবেচিন্তে কথা বলেন না। এখানে একদলীয় নিয়ম, একদলীয় শাসন চলছে। এখানে প্রধানমন্ত্রী যা বলবেন তাই হবে। এখানে সুশাসনের অভাব। গণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনা তাদের মধ্যে নেই। লক্ষ্য যেহেতু একদলীয় সরকার, যেখানে সুশাসন প্রধান নয়। ১৬ কোটি মানুষের একটি দেশ এভাবে চলতে পারে না।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন পুরোপুরি একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। কারণ সরকার দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, সুশাসনসহ সব জায়গায় ফেল করে যাচ্ছে। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দিতে হয়, তা এখানে অনুপস্থিত। একদলীয় শাসন ব্যবস্থাকে তারা পাকাপোক্ত করতে চায়। সব ক্ষেত্রে দলীয় লোকজনকে নিয়োগ দিচ্ছে। কোনও ভিন্নমতের লোকদের চাকরি হয় না। অপরদিকে বিদেশ থেকে বাংলাদেশি শ্রমিকরা ফেরত আসছে। সরকার যতই চিৎকার করুক, তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসেনি। ফলে তাদের সে দুর্বলতা সব সময় কাজ করে। যে জন্য জায়গাটা নিতে পারছে না। দেশ অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চলছে। সুতরাং সরকারের উচিত অবিলম্বে পদত্যাগ করা।’
এসময় জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সহসভাপতি নূর এ শাহাদাৎ স্বজনসহ অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।