আগামী ১৮ ডিসেম্বর থেকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৩ দিন ব্যাপী এ মেলায় সরকারের একাধিক মন্ত্রীর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। আয়োজনকে ঘিরে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন জেলার ১১ টি সম্প্রদায়ের আদিবাসীরা। যেখানে রাজার আর্শীবাদ নেওয়া থেকে শুরু করে অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যমণ্ডিত মনোজ্ঞ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও।
প্রসঙ্গত, প্রায় ১৭৬৪ বর্গমাইল এলাকা ও ১০৯ টি মৌজা নিয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলার বোমাং সার্কেল নির্ধারণ করা হয়। দুশ’ বছরের রীতি অনুসরণ করে বোমাং সার্কেলের পক্ষ থেকে প্রতি বছর আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যবাহী এ রাজপূণ্যাহ উৎসবের। এ সময় বান্দরবান জেলা পাহাড়ি-বাঙালিদের মিলন মেলায় পরিণত হয় আর দেশি- বিদেশি পর্যটকরা এ উৎসব দেখতে ভিড় জমায় এ পর্যটন শহরে।
ব্রিটিশ শাসন আমলে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলাকে তিনটি সার্কেলে বিভক্ত করে খাজনা আদায় করা হতো। ১৮৬৬ সাল পর্যন্ত চাকমা রাজা পার্বত্য অঞ্চল শাসন করতো বলে জানা গেছে। ১৮৬৭ সালে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ অঞ্চলের মারমা অধ্যুষিত এলাকাকে বোমাং সার্কেল এবং ১৮৭০ সালে রামগড় ও মাইনি উপত্যাকার এলাকাকে নিয়ে মং সার্কেল গঠিত হয়। আর চাকমা অধ্যুষিত এলাকাটি চাকমা সার্কেল নামে পরিচিত।
/এআই /টিএন/