নগর বিএনপির সহ দফতর সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আত্মীয়ের বাসা থেকে রাতে নিজ বাসায় ফিরছিলেন আবু সুফিয়ান। এসময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আবু সুফিয়ানকে বহনকারী পাজেরো গাড়িতে হামলা চালায়। দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বোরহানের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন এ হামলা চালায়। গাড়ির কাচ ভাঙচুর করে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এতে ওই গাড়ির ড্রাইভার ইয়াসিন আহত হয়েছেন।’
তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম বোরহান উদ্দিন। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘আমি তখন ঘটনাস্থলে ছিলাম না। আমি যতদূর শুনেছি আবু সুফিয়ান ভাই একটি মাহফিলে গিয়ে ভোট চেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সেখানে থাকা উত্তেজিত জনতা প্রতিবাদ করলে তারা দ্রুত চলে যাওয়ার সময় সামনে থাকা একটি প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দেয়। ওই গাড়ির ড্রাইভারের সঙ্গে তাদের ঝগড়া হয়। পরে সেখানে সড়কের পাশে থাকা কিছু যুবক বিষয়টি মিটমাট করতে গেলে তাদের সঙ্গে আবু সুফিয়ান ভাইয়ের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে যুবকরা গাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়ে মারে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাইনি।’
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে আবু সুফিয়ান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভোট চাওয়ার বিষয়টি ভিত্তিহীন। এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিয়ে নগরে ফেরার পথে ছাত্রলীগের বেশ কয়জন নেতাকর্মী অতর্কিতভাবে গাড়িতে হামলা চালায়। বিষয়টি আমরা বোয়ালখালী থানা পুলিশকে অবহিত করেছি।’
বোয়ালখালী থানার ওসি নেয়ামত উল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ ধরনের একটি ঘটনার কথা শুনেছি। তবে এখনও লিখিত অভিযোগ পাইনি।’