জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন (ইসি)-এর আরও দুই কর্মচারীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রবিবার (১ ডিসেম্বর) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওসমাণ গণি এ আদেশ দেন।
আটকরা হলেন- সাগর চৌধুরী ও সত্যসুন্দর দে। আটক হওয়ার আগে তারা ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। এনআইডি জালিয়াতির ঘটনায় এ নিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নগর পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দীন আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কাজী শাহাবুদ্দীন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুই আসামি ২৯ অক্টোবর হাইকোর্টের থেকে চার সপ্তাহের জামিন নিয়েছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে আজ তারা আদালতে আত্মসমর্পণের করে আবারও জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।’
এর আগে, ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রাম নির্বাচন কার্যালয়ের অফিস সহায়ক জয়নাল আবেদীনকে কমিশনের একটি ল্যাপটপসহ আটক করে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। এসময় তার সঙ্গে আরও দুজন ছিল। পরে তিন জনকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় সে রাতেই ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কর্মকর্তা পল্লবী চাকমা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
এর আগে আটক আরও পাঁচ আসামি হলো- আইডিইএ প্রকল্পের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট শাহানূর ইসলাম, মোস্তফা ফারুক, কোতোয়ালি থানার ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. শাহীন, বন্দর থানার ডেটা এন্ট্রি অপারেটর মো. জাহিদ এবং ডবলমুরিং থানার ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পাভেল বড়ুয়া, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী আবুল খায়ের ভূঁইয়া ও মীরসরাই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী আনোয়ার হোসেন।