এর আগে মঙ্গলবার সকালে বিএসএফের গুলিতে আহত হন আবুল হাসেম। তিনি নারায়ণপুর ইউনিয়নের পাখিউড়ার কালাইর চর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার ভোর রাতে আবুল হাসেমসহ চার-পাঁচ জনের একটি দল গরু চোরাচালান আনার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ১০৩৯ এর পাশ দিয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের সয়তালমারী এলাকার ২০০গজ ভেতরে প্রবেশ করে। আসামের ধুবরী জেলার ৪১ বিএসএফ’র সয়তালমারী ক্যাম্পের বিএসএসফ তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে। এতে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন হাসেম। পরে সঙ্গীরা তাকে উদ্ধার করে গোপনে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মত্যু হয়।
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন অর রশিদ জানান, রংপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জামাল হোসেন জানান, ‘আমরাও শুনেছি একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলির খবরে আমাদের টহল দল সীমান্তের সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে খোঁজ নিয়েছে। সেখান কোনও যুবকের গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়া যায়নি। হয়তো তারা অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে মামলা হওয়ার আশঙ্কায় আগেই পালিয়ে যায়। আমরা বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তবে বিএসএফ এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেনি।’