নিহতরা হলেন– কুষ্টিয়ার মাঝগ্রামের ফরমান মন্ডল (৬০), বাশগ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মিলন (২৭) এবং আজাইল গ্রামের সায়েদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম; ফরিদপুরের গোপালপুরের আইয়ুব আলীর ছেলে মিন্টু (৪০) এবং রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মেঘনা গ্রামের জামান শেখের ছেলে মিজান শেখ (২৫)।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম মন্ডল জানান, বিকট শব্দ শুনে রাস্তায় দুই বাসের সংঘর্ষ দেখতে পান স্থানীয়রা। দৌড়ে এসে তারা আহতের উদ্ধারে নেমে পড়েন। কিছুক্ষণ পরে ফায়ার সার্ভিস এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে।
রাজবাড়ীর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক শওকত আলী জোরদার জানান, ঢাকা থেকে কুষ্টিয়াগামী লালন পরিবহনের সঙ্গে কুষ্টিয়া থেকে দৌলতদিয়াগামী লোকাল পরিবহন আরিফ এক্সক্লুসিভ নামে বাসের মুখোমুখি এ সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
লালন পরিবহনের যাত্রী ও নিহত ফরমান আলী মন্ডলের জামাই আলম মন্ডল জানান, তারা সকাল ৯টায় গাবতলী থেকে রওনা দেন। কিন্তু বাসের চালক বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালাচ্ছিল। যাত্রীরা তাকে সাবধান করলেও মানিকগঞ্জ পার হওয়ার পরে তিনি খুব দ্রুতবেগে গাড়ি চালাচ্ছিলেন।
কালুখালী থানার ওসি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ করে। স্থানীয় জনতা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতদের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মনি মন্ডল জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মৃতদেহ হাসপাতালে আনা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত আরও দুজন মারা যান।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে বর্তমানে পাঁচজন পুরুষের মৃতদেহ রয়েছে বলে তিনি জানান।