পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম জানান, গত ১৭ ডিসেম্বর নিহত শ্রমিক নেতার মেয়ে নিগার সুলতানা বাদী হয়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। পরের দিন ১৮ ডিসেম্বর আদালতের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত আসামিরা ওই মামলায় জামিন নেন। তবে আদালত মিঠুকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আর গত রাতে (২২ ডিসেম্বর) ডিবি ও থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীরকে আটক করেছে। তাকে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ ডিসেম্বর শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম হত্যার বিচার চেয়ে তার পরিবারের লোকজন বিভিন্নস্থানে পোস্টার লাগাচ্ছিলেন। ওই সময় পোস্টার ছিড়ে ফেলেন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার অনুসারীরা। সে সময় ওই পোস্টার লাগালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে নিগার সুলতানা বাদী হয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক, শ্রমিক নেতা আব্দুর রহমান পটল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিবুর রহমান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমসহ ১৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ জুন রাতে নিখোঁজ হন রাজশাহী জেলা সড়ক পরবিহন ও শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম। পরের দিন ১১ জুন সকালে কাঁঠালবাড়ীয়া গ্রামের ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পাশে এসএসএ ইটভাটা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি ডিবি সদস্যরাও এ মামলার তদন্ত করছেন। বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিআইবি) মামলাটির তদন্ত করছে।