মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল, নির্বাচনে জনগণের কাছে যাবে। জনগণের রায় মেনে নেবে। কিন্তু নির্বাচনে হেরে গেলে কোনও দল কারচুপির অজুহাত তুলে ষড়যন্ত্র করবে; তা এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হাতে গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগ এ দেশের মানুষের অনুভুতির দল। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে দেশের সব অর্জন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই এসেছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সিরাজুল ইসলাম খানের মৃত্যুতে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। সিরাজগঞ্জ বাজার স্টেশন মুক্তির সোপানে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। প্রধান বক্তা ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আব্দুল মমিন মন্ডল এমপি, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধকালীন রণাঙ্গনের সাথী মেজর (অব) মোজাফ্ফর হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবু ইউসুফ সুর্য, অ্যাডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসান, অ্যাডভোকেট বিমল কুমার দাস, হাজী ইসহাক আলী,পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা এবং মরহুম সিরাজুল ইসলাম খানের পুত্র শাহনেয়াজ খান সুমন প্রমুখ।
আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে তৃতীয় বার প্রেসিডিয়াম সদস্য মনোনীত হবার পর শুক্রবার বিকালে মোহাম্মদ নাসিম ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। যাত্রাপথে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ের গোলচত্বরে পৌঁছালে দলের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
পরে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সেতুর পশ্চিম পাড়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং সিরাজগঞ্জ শহরের প্রবেশমুখ মুলিবাড়িতে তার পিতা জাতীয় নেতা শহীদ এম মনসুর আলী প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করেন নাসিম।
স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ নাসিম মরহুম সিরাজুল ইসলাম খানকে একজন বিনয়ী ও সত্যিকারের নির্লোভ, ত্যাগী রাজনীতিবিদ হিসেবে উল্লেখ করেন। বলেন, তিনি কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করেননি। নিজের জন্য নয়; বরং জনগণের জন্য রাজনীতি করেছেন। তার মতো নিরহংকার আদর্শবান ও যোগ্য নেতা এ সময়ের রাজনীতিতে খুবই প্রয়োজন।
স্মরণসভা শেষে সন্ধ্যার পর কাজিপুর যাওয়ার পথে কাঠেরপুল, রহমতগঞ্জ, ছোনগাছা, পিপুলবাড়িয়া ও রতনকান্দিতে নেতাকর্মীরা মোহাম্মদ নাসিমকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়।