ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের গাড়ি বহরে হামলা হয়েছে। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। রবিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের বিলঘর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) কসবা থানার ওসি মো. লোকমান হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আহতরা হলেন- কসবার ইউএনও মাসুদউল আলম, কসবা থানার এসআই মো. হারুনুর রশিদ, পুলিশের নায়েব আলী আজম, কনস্টেবল মাহবুবুল ও জয়রুপ।
এর আগে জমি থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলার অভিযোগে কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের যুবলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. আলমগীরকে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আলমগীরকে এক বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন।
ইউএনও মাসুদউল আলম জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের নির্দেশে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ঘটনায় পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে কসবার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের বাসিন্দা আলমগীর ও শামীমসহ দুজনকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পুলিশ প্রহরায় আলমগীরকে সাজা প্রদানের জন্যে থানায় নিয়ে যাচ্ছিলো। বিলঘর এলাকার পৌঁছার পর তাদের ওপর হামলা হয়।
কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মানিক মিয়া জানান, এ ধরনের ঘটনা তিনি শুনেছেন। তবে বিস্তারিত কিছু জানেন না।
কসবা থানার ওসি মো. লোকমান হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে ১০ রাউন্ড গুলি ছুড়তে হয়।পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শামীম নামক একজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারেরও চেষ্টা চলছে।