দণ্ড পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার আবদুল কুদ্দুস জামিন চেয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন। এদিন বেলা ৩টায় জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল আপিল শুনানি শেষে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে দুজন ব্যক্তির জিম্মায় এক মাসের জন্য তার জামিন মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) থানচির প্রাতাপাড়ার পাশে সরকারি নিয়ম না মেনে সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস, বিপ্লব মারমা, মো. আইয়ুব ও খামলাই যৌথভাবে ইটভাঁটা তৈরি করে ইট তৈরির কাজ করছিলেন। এ খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার পরিবেশ অধিদফতরের স্পেশাল ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। ওই দিন রাতেই সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যানকে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-২০১৩ এর ১৪, ১৫, ১৬ ও ১৮ ধারায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।