অভিযোগে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান মো. লোকমান হাকিম ও ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মো. মুসা মিয়া ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য আবুল কালামের মাধ্যমে মেন্দীপুর পূর্বপাড়া ডিসি রোড থেকে মাঝেরকান্দা পর্যন্ত মাটি ভরাটের নামে সামান্য কাজ করে জনপ্রতি ৮ হাজার করে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় ৪০ জন হতদরিদ্র নারীর নাম ব্যবহার করে এ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া, মেন্দীপুর হাওরে বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য টিআর প্রকল্পের ৪০ হাজার টাকা এবং মেন্দীপুর ফৌজদার মিয়ার বাড়ি থেকে বামনিকোনার রাস্তা পর্যন্ত মাটি ভরাটের নামে সাড়ে ১১ মে. টন চালের মূল্য ৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকার কাজ সামান্য করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করেন তারা।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি জানান, তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মঈন উল ইসলাম বলেন, ‘এখনও অভিযোগটি আমার হাতে পৌঁছেনি। অভিযোগটি হাতে পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’