মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে চা শ্রমিকদের জীবনমানের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। চা শ্রমিক সন্তানরা শিক্ষিত হচ্ছে। বিসিএস ক্যাডার হয়েছে। বিভিন্ন দফতরে তাদের চাকরি হচ্ছে।
চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখনলাল কর্মকারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি, কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব, বাংলাদেশ চা সংসদের চেয়ারম্যান এম শাহ আলম, চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী, বিভাগীয় শ্রম অধিদফতরের উপপরিচালক নাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
বার্ষিক সাধারণ সভায় বাংলাদেশের সাতটি ভ্যালির সভাপতি-সম্পাদক, বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি-সম্পাদক, শ্রমিক নেতাসহ ২৩০টি চা বাগানের প্রায় ৬ হাজার চা শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।