এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে মাদার বখ্শ হলসহ আশেপাশের কয়েকটি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। হলের ছাত্রলীগ সভাপতির দাবি, ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়াতে শিবিরের দুষ্কৃতিকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
হল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সোয়া ১২টার দিকে হলের তৃতীয় ব্লকের চারতলার ছাদে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। এর পাঁচ মিনিট পর একই ব্লকের দ্বিতীয় তলায় একটি গুলির শব্দ পাওয়া যায়। কিছুক্ষণ পরে ওই ব্লকের তৃতীয় তলায় আরও দুটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। এসময় মাদার বখ্শ হলসহ পার্শ্ববর্তী হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর রাত ১টার দিকে ছাত্রলীগের ৪০-৫০ জন নেতাকর্মী হলের তৃতীয় ব্লকের বিভিন্ন রুমে তল্লাশি চালায় ও শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় ওই হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম বনি, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা ও শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মামুনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।
মাদার বখ্শ হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম বনি বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি বাইরে ছিলাম। পরে আমরা তৃতীয় ব্লকের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালিয়েছি। ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়াতে শিবিরের দুষ্কৃতিকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’
হল প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবো।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তারিকুল হাসান বলেন, ‘এ ঘটনায় হলের প্রভোস্ট আমাদের অবহিত করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।’
এ ব্যাপারে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে বিস্ফোরণের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
/এফএস/