কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখার সহকারী কমিশনার নুর এ হাসনা সানজিদা অনুসুয়া এ তথ্য জানিয়েছেন। সোহারা ফ্যাশন লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালানটি চীন থেকে আমদানি করে বলে তিনি জানান।
এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি একই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের আরেকটি চালানেও ঘোষিত পণ্যের পরিবর্তে বালু পাওয়া যায়।
নুর এ হাসনা সানজিদা অনুসুয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘৪৯ হাজার ৬৯৭ ডলারের দুটি আলাদা ইনভয়েসের মাধ্যমে পলিয়েস্টার সুতা ঘোষণা দিয়ে চালানটি আমদানি করে সোহারা ফ্যাশন। গত ২২ জানুয়ারি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের হয়ে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। আমাদের কাছে গোপন সংবাদ ছিল এই চালানে ঘোষিত পণ্যের পরিবর্তে ভিন্ন পণ্য আনা হচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আজ (সোমবার) কন্টেইনার খুলে তাতে সুতার পরিবর্তে বালুর বস্তা পাওয়া যায়। বালুর নমুনা সংগ্রহ করে রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই বালুর মধ্যে কোনও মূল্যবান ধাতু আছে কিনা সেটি পরীক্ষা করে দেখা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর সঙ্গে মানি লন্ডারিংয়ের কোনও যোগসূত্র আছে কিনা আমরা তাও খতিয়ে দেখছি। তদন্ত শেষে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কাস্টমস আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’