উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন গভীর রাতে চোরচক্র প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, যুব উন্নয়ন অফিস ও পল্লী দারিদ্র বিমোচন দফতরের দরজার কড়া খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা প্রতিটি দফতরের আলমারি ও টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে ফেলে। শেষে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের দরজা ভাঙার চেষ্টা করলে ওই অফিসের নৈশপ্রহরী টের পাওয়ায় দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উচ্চমান সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটরের আলমারি থেকে তাদের বেতনের ৪০ হাজার এবং শিক্ষা অফিসারের আলমারি থেকে দেড় হাজারসহ মোট ৪১ হাজার ৫০০ টাকা খোয়া গেছে।
উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার মো. আবু রায়হান জানান, রাত আনুমানিক তিনটার দিকে তার অফিসের দরজা ভাঙার চেষ্টা করা হয়। এসময় তাদের নাইটগার্ড টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে দুই চোর দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। তার অফিসে পাঁচ হাজারেরও বেশি দলিল ও মূল্যবান কাগপত্র রয়েছে। চোরেরা অফিসে প্রবেশ করতে পারলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রতিটি অফিসের নিজস্ব সিকিউরিটি বাড়ানোসহ দ্রুত অফিস ক্যাম্পাসে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। আপাতত গ্রাম পুলিশ এনে রাতে অতিরিক্ত পাহারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ বলেন, চুরি হওয়া অফিসগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। চোরদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।