সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে র্যাব-১১’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন চোধুরীর পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে কারখানা দুটি চলছিল।
র্যাব জানায়, এম কে ফুডস এর উৎপাদিত যৌন উত্তেজক লায়ন ফুডস শরবতে প্যারাসিটামল পাউডার, টেস্টিং সল্ট, স্যাকারিন, এমপিএস, ব্যাফেন, এসএস পাউডার, সোডিয়াম পাউডার, সাইট্রিক এসিড, গাম, ঘন চিনি, সাধারণ চিনি, ফ্লেভার ও রংসহ মোট ১৬টি ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এই শরবত সারাদেশেই বিক্রি করা হচ্ছিলো।
এদিকে এম এম কনজুমার দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিভিন্ন খ্যাতিসম্পন্ন ব্রান্ডের নামে কয়েল তৈরি ও পাকেটজাত করে বাজারে বিক্রি করে আসছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এসব সরবরাহ করা হচ্ছে।
র্যাব আরও জানায়, কারখানা দুটি অবৈধ গ্যাস সংযোগে চলছিল। তিতাস গ্যাস কোম্পানির টেকনিশিয়ানের প্রাক্কলনে দেখা যায়, কারখানা দুটি দীর্ঘদিন ধরে প্রতি মাসে অন্তত ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকার গ্যাস চুরি করে আসছিল। পরবর্তীতে তিতাস গ্যাস কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এই কারখানাগুলোর অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আজ কারখানাগুলোর ভেতের অভিযান চালায় র্যাব। এসময় ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে র্যাব জানায়। অভিযানের সময় একটি কাভার্ডভ্যান জব্দ করা হয়।