আসামিরা হলেন, টেকনাফ পৌরসভার কুলালপাড়ার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুরুল বশর ওরফে নুরশাদ ও হ্নীলা ইউনিয়নের লেদার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল হুদা। ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তারা দুজনই আত্মসমর্পণ করেন পুলিশের কাছে। বর্তমানে তারা কক্সবাজার কারাগারে রয়েছেন।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর জানান, ‘অনুসন্ধানে এই দুই জনপ্রতিনিধির অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। যে সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে তদন্তের স্বার্থে সেগুলো শিগগিরই জব্দ করা হবে।’
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নুরুল বশর ও নুরুল হুদার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম ২-এর সহকারী পরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর। অনুসন্ধানকালে নুরুল বশরের বিরুদ্ধে ৮৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৩২ টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। অপরদিকে নুরুল হুদার বিরুদ্ধে দুই কোটি ৭১ লাখ ২৫ হাজার ৩৭ টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে তারা দুজনই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনে তাদের সম্পদবিবরণী দাখিল করেনি। এটা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।