ঠাকুরগাঁওয়ের সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘নবীন আলো’র সদস্যরা শহরের বিভিন্ন এলাকার রাস্তায় ঘুরে ঘুরে রিকশাচালক, ফুটপাতের মুচি, সেলুনের কর্মী, ট্রাফিক পুলিশ, পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে মাস্ক বিতরণ করেন। বৃহস্পতি ও শুক্রবার এই সংগঠনের সদস্যরা নিজেরাই চাঁদা তুলে প্রায় ২০০টি মাস্ক বিতরণ করেন।
এ ব্যাপারে সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ শিহাব বলেন, ‘আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে যতটুকু সম্ভব ততটুকু করলাম। সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস।’ হাত দিয়ে ধরে কেন মাস্ক পরানো হলো এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা সেভাবে সচেতন ছিলাম না। তবে এখন বিষয়টা সম্পর্কে পরিষ্কার হলাম। আমাদের উদ্দেশ্য আত্মপ্রচারের ছিল না। বাজারে মাস্কের দাম বাড়ায় অনেক সাধারণ মানুষ মাস্ক কিনতে ও পরতে পারছেন না। তাদের জন্য কিছু করার ইচ্ছে আমাদের ছিল, তাই নিজেদের হাত খরচের টাকা বাঁচিয়ে আমরা এ উদ্যোগ নেই।’
ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. তোজাম্মেল হক জানান, ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এ উদ্যোগ নিশ্চয়ই প্রশংসার। তবে এভাবে হাত দিয়ে মাস্ক না পরিয়ে যার মাস্ক তাকে দিয়ে পরানোটা সঠিক হবে। কারণ যাদের আপনি মাস্ক পরাচ্ছেন, আপনি কি নিশ্চিত তিনি করোনা আক্রান্ত না বা ভাইরাস বহন করছেন না?’