স্থানীয়রা জানান, গুয়াবাড়ি এলাকায় সন্ধি ক্লাবের পেছনে একটি মাঠে ক্রিকেট খেলা চলছিল। এ সময় ওই এলাকার আনিস মিয়ার ছেলে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হাসান ও মুক্তি মিয়ার ছেলে হৃদয় (১৮) খেলায় বাজি ধরেন। বাজিতে হৃদয় হেরে গেলে হাসানের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে হৃদয় খেলায় ব্যবহৃত স্ট্যাম্প দিয়ে হাসানের মাথায় সজোরে আঘাত করলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে তাকে দ্রুত জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সৌমিত্র কুমার বণিক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর থেকে হৃদয় পলাতক রয়েছে। জামালপুর সদর থানার ওসি মো. সালেমুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।