ডা. হাসান শাহরিয়ার বলেন, ‘করোনা ভাইরাস আতঙ্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন উদ্বেগ বেড়েছে, চিকিৎসকদের মনেও রয়েছে একই রকমের উদ্বেগ। কারণ রোগীদের চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসকরাই রয়েছেন অনেকটা অরক্ষিত। গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাদের পিপিই দাবি করলেও ব্যবস্থা হয়নি। আবার বাজারে এসব সরঞ্জামের সংকট থাকায় টাকা দিয়েও তা কেনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই সব চিকিৎসক আতঙ্কে রয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি হাসপাতালে দায়িত্বরত দুজন ইন্টার্ন চিকিৎসক ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত হন। এতে সবার মধ্যে ভয় দেখা দিয়েছে। এ কারণে প্রয়োজনীয় পিপিই ছাড়া কোনও ইন্টার্ন চিকিৎসক ওয়ার্ডগুলোতে চিকিৎসা দিতে যাবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ‘আমি ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। পিপিই ছাড়া সর্দি-জ্বরের রোগীদের তাদের কাছে পাঠানো হবে না বলেও আশ্বস্ত করেছি। তারপরও তারা কর্মবিরতিতে রয়েছেন।’ দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।