এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ওই বাড়িটিসহ আশপাশের সাতটি বাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে প্রশাসন। মঙ্গলবার বেলা ১১টা পর্যন্ত ওই ব্যক্তির মৃতদেহের কাছে স্বজনসহ কাউকে আসতে দেয়নি পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসন সূত্র জানা গেছে, ওই ব্যক্তি গত বুধবার থেকে হঠাৎ করে হালকা জ্বর ও কাশি সমস্যায় ভুগছিলের। রবিবার থেকে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকরা সোমবার সকালে তার রক্ত সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য নিয়ে যান। তাকে প্রয়োজনীয় ওষুধও সরবরাহ করা হয়। কিন্তু রাত পৌনে ৯টায় তিনি মারা যান।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘ওই ব্যক্তির মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নির্দেশে আটটি বাড়ি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। আর মৃতদেহের কাছে কাউকে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সুরক্ষা পোষাক পরে মৃতদেহ দাফন করা হবে।’
জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম বলেন, ‘ওই ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা তার শরীর থেকে সংগ্রহীত নমুনা পরীক্ষার পর জানা যাবে। এর আগ পর্যন্ত ওই বাড়িটিসহ আশপাশের সাতটি বাড়ি লকডাউন থাকবে।’
এ নিয়ে নেত্রকোনার খালিয়াজুরি, পূর্বধলা ও কেন্দুয়া উপজেলায় গত তিন দিনের ব্যবধানে এক নারীসহ প্রায় একই সমস্যায় চারজন মারা যান। তবে তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কি-না তা পরীক্ষা করা হচ্ছে।