খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃত ব্যক্তিসহ তার সেবায় নিয়োজিত ও সংস্পর্শে যারা ছিলেন তাদের সবার স্যাম্পল সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আনিসুর রহমান জানান, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনের সহযোগিতায় দেবীপুরের ওই বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে। আর মৃত নারীর অসুস্থ নাতিকে হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাদের স্যাম্পল সংগ্রহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২০ মার্চ রূপসা উপজেলার শিয়ালী গ্রামের এক স্কুল শিক্ষক ভারত থেকে ফেরার পর স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মেনে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন পালন করেন। এ কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ শেষ হয় গত ১৮ মার্চ। এর একদিন পর ২০ মার্চ ভোর রাতে তিনি নিজ বাড়িতেই মারা যান। তারও একই ধরনের উপসর্গ ছিল।