এ ঘটনার পর আজিজারের পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। পাশাপাশি আজিজারসহ পরিবারের সব সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু বক্কর সিদ্দিক এসব তথ্য জানিয়েছেন।
ভিতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খন্দকার আমিনুল ইসলাম বাচ্চু জানান, মারা যাওয়া ওই ব্যক্তি ছেলে ১১ দিন আগে গাজীপুর থেকে এসেছেন। তিনি গাজীপুরে কৃষি শ্রমিকের কাজ করতেন বলে জানা গেছে। তবে তার মাঝে এখন পর্যন্ত অসুস্থতার কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি। তার বাবা আজিজার দীর্ঘদিন ধরে জন্ডিসসহ নানা রোগে ভুগছিলেন বলে পরিবার থেকে জানানো হয়েছে।
নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, মারা যাওয়া ব্যক্তিসহ তার স্ত্রী, ছেলে ও পুত্রবধূর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার ফল অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর আহমেদ মাছুম জানান, খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ওই পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে তাদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।