বগুড়ার নন্দীগ্রামে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৬৮ বস্তা চালসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। র্যাব-১২ বগুড়া স্পেশাল কোম্পানির সদস্যরা শনিবার মধ্যরাতে তাদের চালসহ গ্রেফতার করেন। রবিবার দুপুরে র্যাবের পক্ষে নন্দীগ্রাম থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়।
গ্রেফতার নেতারা হলেন নন্দীগ্রাম উপজেলার শিমলা বাজারের মৃত মনসুর রহমানের ছেলে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
আনিসুর রহমান আনিস ও তার সহযোগী তারাটিয়া গ্রামের মৃত কাজেম উদ্দিনের ছেলে, নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আনসার আলী।
র্যাবের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার এএসপি রওশন আলী ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস দু’বছর আগে খাদ্য অধিদফতরের ডিলার ছিলেন। তার ডিলারশিপ মিলন সরদার নামে এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করেন। কিন্তু, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিপুল পরিমাণ চাল আবার তার বাড়িতেই মজুত করেন। খবর পেয়ে শনিবার রাতে আনিসুর রহমান আনিসের শিমলা বাজারের বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। বাড়ি থেকে ৫৮ বস্তা ও পাশেই তার টিভি-ফ্রিজের শো-রুম থেকে ১১০ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আনিসুর রহমান আনিস জানিয়েছেন, চালগুলো ডিলার মিলন সরদার রেখে গেছেন। চালগুলো জব্দ করার পর আওয়ামী লীগ নেতা আনিসুর রহমান আনিসকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার সহযোগী নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আনসার আলীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
নন্দীগ্রাম থানার ওসি শওকত কবির জানান, রবিবার দুপুরে র্যাবের পক্ষে ডিএডি সৈয়দ আলী থানায় আনিসুর রহমান আনিস, আনসার আলী ও ডিলার মিলন সরদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। গ্রেফতার আনিস ও আনসারকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।