তিনি জানান, নতুন করে করোনা শনাক্ত হওয়া ওই পাঁচজনের মধ্যে তার অফিসের নাইটগার্ডও রয়েছেন। তাই রবিবার থেকেই হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে।
তিনি জানান, শনিবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চারজন ও কাপাসিয়া উপজেলার এক ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। রবিবার করোনার শনাক্তের প্রতিবেদন আসার পর সেই নাইটগার্ডকে কুর্মিটোলা জেনারেল
হাসপাতালের আইসোলেশনে পাঠানো হয়। করোনা সংক্রমণ রোধে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অন্যান্য স্টাফদেরও নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সিভিল সার্জন সরকারি বাসাতে কোয়ারেন্টিনে থেকে কাজ করছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, গাজীপুর জেলায় ২ হাজার ৯৪৪ জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ৫৮৩ জন নির্দিষ্ট সময়ের পর কোয়ারেন্টিন ছেড়ে চলে গেছেন। এ পর্যন্ত ৩০১ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।