জানা গেছে, আব্দুর রহিম নারায়ণগঞ্জে রিকশা চালাতেন। জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে শনিবার দুপুরে সেখানে মারা যান। রবিবার ভোররাতে স্বজনরা তার লাশ বৃ-আঙ্গারু গ্রামের কবরস্থানে গোপনে দাফনের চেষ্টা করেন। করোনায় মারা গেছে সন্দেহে গ্রামবাসী তার দাফনে বাধা দেয়। পরে পুলিশ ও প্রশাসন খবর পেয়ে তার লাশ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। স্বজনদের এ গ্রামের স্কুলে আটকে রাখা হয়।
স্থানীয়রা জানান, মরহুমের ভাগ্নে মোহাম্মদ আলী জানাজার নামাজ পড়ান। পিপিই পরে ‘উপজেলা সৎকার স্বেচ্ছসেবক দল’-এর সদস্য শাহজাদপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আশিকুল হক দিনার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ কাজল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল শেখ, ছাত্রলীগ সদস্য রাকিব হাসান ও পোতাজিয়া ইউনিয়নের চরকাদাই মসজিদের ইমাম মওলানা সাব্বির হোসেন জানাজা ও দাফনে অংশ নেন।
শাহাজাদপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শাহ মো. শামসুজ্জোহা জানান, ‘নিহত আব্দুর রহিম, তার স্ত্রী ও আরও চার আত্মীয়সহ পাঁচ জনের নমুনা উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস সংগ্রহ করেছে। এরপর তালিকাভুক্ত উপজেলা সৎকার স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের দিয়ে জানাজা সম্পন্ন হয়। বৃ-আঙ্গারু গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারটি কক্ষে আব্দুর রহিমের স্ত্রী ও স্বজনদের চার জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। চৌকিদার দিয়ে প্রতিদিন তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা করারও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।’
সিভিল সার্জন ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আব্দুর রহিমসহ শাহজাদপুরের পাঁচ জনের নমুনা সংগ্রহ করে দুপুরের পর রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’