সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা মূল্যের আরও ১৫৮ বস্তা চাল উদ্ধার হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) রাতে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলার তাইন্দং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড (আচালং) মেম্বার ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি জামাল হোসেনের দোকান থেকে এই চাল উদ্ধার করা হয়। মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীশণ কান্তি দাশ এখবর নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৫৮ বস্তা চাল উদ্ধার করা হলেও মেম্বার জামাল হোসেন এবং তার সহযোগী আবদুল কাদের পলাতক।' এই ঘটনায় মামলা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে, ২৮ বস্তা চাল চুরির অভিযোগে জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার গোমতী ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মো. আব্দুল মোমেনকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে খাগড়াছড়ি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কেএম ইসমাইল হোসেন এই বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মাটিরাঙা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শামছুদ্দিন ভুইয়া বলেন, 'মাটিরাঙ্গা উপজেলার গোমতী ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মো. আব্দুল মোমেন খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ২৮ বস্তা চাল গোপনে গোমতির বলিচন্দ্র কার্বারি পাড়ার চাল ব্যবসায়ী মো. আবুল হাসেমের কাছে বিক্রি করে দেন। খবর পেয়ে মাটিরাঙ্গার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা আকতার ববির নেতৃত্বে রবিবার সকাল ১১টার দিকে পুলিশ চালগুলো উদ্ধার করে । এসময় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কেনার অভিযোগে মো. আবুল হাসেমকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় ডিলার মো. আব্দুল মোমিন পলাতক আছে। তাদের বিরূদ্ধে মাটিরাঙা থানায় মামলা হয়েছে।'
মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিভীষণ কান্তি দাশ আরও বলেন, এছাড়া সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রির আরও একটি অভিযোগ উঠেছে মাটিরাঙা পৌরসভার কমিশনার মোহাম্মদ মোস্তফার বিরূদ্ধে। তা তদন্ত করে দেখার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজকুমার শীলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।